Vivo Y31d রিভিউ: 7200mAh বিশাল ব্যাটারিসহ বাজেট স্মার্টফোনVivo Y31d রিভিউ: 7200mAh বিশাল ব্যাটারিসহ বাজেট স্মার্টফোন

Vivo Y31d রিভিউ: 7200mAh বিশাল ব্যাটারিসহ বাজেট স্মার্টফোন

Vivo Y31d রিভিউ: 7200mAh বিশাল ব্যাটারিসহ বাজেট স্মার্টফোন


ভূমিকা

বাংলাদেশের স্মার্টফোন মার্কেটে চলে এসেছে Vivo-র আরও একটি ব্র্যান্ড নিউ স্মার্টফোন Vivo Y31d। এই ফোনটির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো 7200 মিলিএম্পিয়ারের বিশাল ব্যাটারি, যা বাজেট সেগমেন্টের ফোনের জন্য সত্যিই অভাবনীয়। এছাড়াও ফোনটি IP68 এবং IP69+ ডাস্ট ও ওয়াটারপ্রুফ রেটিং, কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন 6s Gen 2 চিপসেট এবং Vivo-র লেটেস্ট Origin OS দিয়ে সজ্জিত।
এই বিস্তারিত রিভিউতে আমরা Vivo Y31d-এর প্রতিটি দিক পরীক্ষা করে দেখব এবং জানব প্রাইস অনুযায়ী এই ফোনটি কতটা ভ্যালু ফর মানি।

দাম ও ভেরিয়েন্ট

Vivo Y31d তিনটি ভিন্ন ভিন্ন ভেরিয়েন্টে বাংলাদেশে পাওয়া যাচ্ছে:
  • 6GB RAM + 128GB Storage: ২৪,৯৯ টাকা
  • 8GB RAM + 128GB Storage: ২৬,৯৯৯ টাকা
  • 8GB RAM + 256GB Storage: ৩১,৯৯ টাকা
প্রাইস রেঞ্জ বিবেচনা করলে দেখা যায়, ২৫ হাজার টাকার মধ্যে 7200mAh ব্যাটারি, IP68/IP69+ ওয়াটারপ্রুফ রেটিং এবং Snapdragon 6s Gen 2 চিপসেট পাওয়া যাচ্ছে, যা বেশ ইমপ্রেসিভ।
Image Generation Prompt: "Vivo Y31d price tag Bangladesh, three variants display, 24999 26999 31999 taka, smartphone pricing comparison chart, Bangladeshi currency symbol, professional infographic design"

প্রিবুক অফার ও বিশেষ সুবিধা

Vivo Y31d-এর প্রিবুকিং শুরু হয়েছে ১লা মার্চ থেকে যা চলবে ৪ঠা মার্চ পর্যন্ত। এই প্রিবুকিং পিরিয়ডে ফোনটি কিনলে আপনি পাচ্ছেন:
✓ একটি ফ্রি টি-শার্ট
✓ ইন্টারনেট বান্ডেল
✓ ডিসপ্লে নষ্ট হলে ১ বছরের রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি
ফার্স্ট সেল শুরু হবে ৫ই মার্চ থেকে। এই সময়ে ফোন কিনলে টি-শার্ট ছাড়া বাকি দুটি গিফট পাওয়া যাবে।

বক্স কন্টেন্ট

Vivo Y31d-এর বক্সে আপনি যা যা পাবেন:
  • Vivo Y31d স্মার্টফোন
  • ট্রান্সপারেন্ট সিলিকন ব্যাক কভার
  • 44W ফ্ল্যাশ চার্জার
  • USB Type-C কেবল
  • সিম ইজেক্টর টুল
  • ইউজার ম্যানুয়াল এবং ওয়ারেন্টি কার্ড
বক্সে 44W চার্জার পাওয়া যাওয়াটা বড় পজিটিভ, কারণ অনেক কোম্পানি এখন চার্জার বাদ দিয়ে দিচ্ছে।

ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি

Vivo Y31d হাতে নিলেই একটি প্রিমিয়াম ফিল পাওয়া যায়। বিশেষ করে রিয়ার প্যানেলে একটি চমৎকার ইফেক্ট রয়েছে যা লাইটিং কন্ডিশন পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়। ম্যাট ফিনিশ হওয়ার কারণে আঙুলের ছাপ পড়ে না, যা ব্যবহারের ক্ষেত্রে বেশ সুবিধাজনক।
মেটালিক ক্যামেরা হাউজিং ফোনটিকে আরও ফ্ল্যাগশিপ ফিল দিয়েছে। আমার হাতের ফোনটি হলো গ্লো হোয়াইট কালার। এছাড়াও ফেস্টিভ রেড এবং স্টারলাইট গ্রে নামে আরও দুটি কালার অপশন রয়েছে।
ফোনটির সাইড ফ্রেম মেটাল বা অ্যালুমিনিয়াম মনে হলেও প্রস্তুতকারক এটি প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি করেছে। সম্পূর্ণ ফোনটি প্লাস্টিক বিল্ডেড।
Dimensions & Weight:
  • ওজন: ২১৯ গ্রাম (হোয়াইট ভেরিয়েন্ট)
  • বেধ: ৮.৪৯ মিমি
বিশাল ব্যাটারির কারণে ফোনটি কিছুটা মোটা এবং ভারী হয়েছে, তবে ব্যবহারের মাধ্যমে এটিতে অভ্যস্ত হয়ে যাওয়া যায়।

IP68 ও IP69+ ওয়াটারপ্রুফ রেটিং

Vivo Y31d-এর সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো এর IP68 এবং IP69+ ডাস্ট ও ওয়াটারপ্রুফ রেটিং। এর মানে হলো:
  • সাধারণ সাঁতার কাটা বা বৃষ্টির পানিতে ভেজা নিয়ে চিন্তা নেই
  • বাইক চালানো বা আউটডোর অ্যাক্টিভিটির জন্য পারফেক্ট
  • আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফি এবং ভিডিওগ্রাফি করা যাবে
  • পানির নিচে নিয়ে ছবি ও ভিডিও ধারণ করা সম্ভব
  • ফোনটিতে ওয়াটার লক ট্র্যাপ ফিচার রয়েছে, যা পানি বের করতে সাহায্য করে
এছাড়াও ফোনটিতে মিলিটারি গ্রেড ড্রপ রেজিস্ট্যান্স সার্টিফিকেট রয়েছে। হাত থেকে পড়ে গেলে বা বাইক থেকে পড়লেও খুব একটা ক্ষতি হবে না।

ডিসপ্লে

Vivo Y31d-তে ৬.৭৫ ইঞ্চির একটি HD+ রেজোলিউশন IPS LCD ডিসপ্লে রয়েছে, যার রেজোলিউশন ১৫০ x ২০ পিক্সেল।
ডিসপ্লে স্পেসিফিকেশন:
  • সাইজ: ৬.৭৫ ইঞ্চি
  • রেজোলিউশন: HD+ (১৫৪০ x ৭২০ পিক্সেল)
  • টাইপ: IPS LCD
  • রিফ্রেশ রেট: ১২০Hz
  • ব্রাইটনেস: ১২৫০ নিট (HBM)
  • পঞ্চ-হোল ডিসপ্লে
ডিসপ্লে পারফরমেন্স:
২৫,০০০ টাকার রেঞ্জে শুধুমাত্র HD+ রেজোলিউশন কিছুটা হতাশাজনক। এই প্রাইস রেঞ্জে FHD+ ডিসপ্লে আশা করা যেত। HD+ রেজোলিউশনের কারণে ডিসপ্লেতে কিছুটা শার্পনেসের ঘাটতি লক্ষ্য করা যায়।
তবে IPS প্যানেল হওয়া সত্ত্বেও কালার রিপ্রোডাকশন মোটামুটি ভালো। কালার নেগেটিভিটি জনিত কোনো সমস্যা নেই। টাচ রেসপন্সও ভালো।
১২০Hz রিফ্রেশ রেট বেশ ভালোভাবে কাজ করছে। স্ক্রলিং, ট্রানজিশন এবং সাধারণ কাজগুলোতে ১২০Hz রেগুলারলি পাওয়া যাচ্ছে।
Vivo এখানে অলওয়েজ-অন ডিসপ্লে (AOD) ফিচার দিয়েছে, যা ভালো কাজ করলেও ব্যাটারি ড্রেন কিছুটা বাড়িয়ে দেয়।
ব্রাইটনেস ১২৫০ নিট HBM মোডে চলে। আউটডোরে শেডো এরিয়াতে কোনো সমস্যা হয় না, তবে ডাইরেক্ট সানলাইটে কিছুটা সমস্যা হতে পারে।

পারফরমেন্স

প্রসেসর ও চিপসেট:
  • চিপসেট: Qualcomm Snapdragon 6s Gen 2
  • আর্কিটেকচার: 6nm
  • CPU: অক্টা-কোর
  • GPU: Adreno 610
  • নেটওয়ার্ক: 4G LTE
Snapdragon 6s Gen 2 চিপসেটটি Snapdragon 680 বা 685 থেকে অনেক বেশি ফাস্ট। এটি কোনো হেভি চিপসেট না, তবে রেগুলার কাজের জন্য যথেষ্ট।
RAM ও Storage:
  • RAM: LPDDR4X
  • Storage: UFS 2.2
পারফরমেন্স টেস্ট:
রেগুলার ব্যবহার:
  • ফেসবুক ব্রাউজিং
  • YouTube ভিডিও দেখা
  • লাইভ স্ট্রিমিং
  • ওয়েব ব্রাউজিং
  • সোশ্যাল মিডিয়া
এই ধরনের কাজের জন্য ফোনটি মোটামুটি ভালো সাপোর্ট দিতে পারে।
মাল্টিটাস্কিং: হেভি মাল্টিটাস্কিংয়ের জন্য এটি খুব একটা উপযুক্ত নয়। সীমিত মাল্টিটাস্কিং করা যাবে।
গেমিং পারফরমেন্স:
PUBG Mobile:
  • লো সেটিংসে মোটামুটি প্লেয়েবল
  • হেভি গেমিংয়ের জন্য উপযুক্ত নয়
Call of Duty Mobile:
  • মিডিয়াম থেকে হাই গ্রাফিক্সে ৪-৫২ FPS পাওয়া যাচ্ছে
  • মোটামুটি ভালো পারফরমেন্স
Genshin Impact:
  • গ্রাফিক্স কোয়ালিটি ভালো
  • মোটামুটি ভালোভাবে খেলা যাচ্ছে
সিদ্ধান্ত: এটি গেমিং চিপসেট নয়, তবে শখের বশে গেম খেলতে পারবেন। হেভি গেমারদের জন্য এটি উপযুক্ত নয়।

সফটওয়্যার ও UI

Vivo Y31d অ্যান্ড্রয়েড ১৬ বেসড Vivo-র লেটেস্ট Origin OS-এ চলছে। Origin OS, Funtouch OS-এর জায়গায় নিয়ে এসেছে নতুন কিছু ফিচার।
Origin OS ফিচারসমূহ:
ডিজাইন:
  • লাইট এবং শেড স্পেস ডিজাইন
  • ডেপথ এবং ন্যাচারাল লাইট ইফেক্ট
  • ইন্টারফেস আরও জীবন্ত এবং আকর্ষণীয়
কাস্টমাইজেশন:
  • লক স্ক্রিনে কাস্টমাইজেশন অপশন
  • নোটিফিকেশন স্ট্যাক গ্রুপে দেখানো হয়
পারফরমেন্স:
  • অ্যানিমেশন আরও স্মুথ
  • কোনো ল্যাগ বা স্টাটারের সমস্যা নেই
  • অ্যাপ ওপেনিং এবং ক্লোজিং টাইম ভালো
Origin Island:
  • রিয়েল-টাইম নোটিফিকেশন
  • স্ট্যাটাস দেখা যায়
  • ইউজার ফ্রেন্ডলি ইন্টারফেস
AI ফিচারস:
  • ছবি এডিটিং ফিচার (খুবই দারুণ)
  • Copy and Go শর্টকাট
  • Drag and Go ফিচার
  • সময়োপযোগী অনেক AI ফিচার

ক্যামেরা

রিয়ার ক্যামেরা সেটআপ:
  • প্রাইমারি: 50MP মেইন ক্যামেরা
  • সেকেন্ডারি: 2MP বোকেহ লেন্স
ফ্রন্ট ক্যামেরা:
  • 8MP সেলফি ক্যামেরা
রিয়ার ক্যামেরা পারফরমেন্স:
ডেটাইলস ও শার্পনেস: 50MP প্রাইমারি ক্যামেরা থেকে পাওয়া ছবিতে ডিটেইলস এবং শার্পনেস ঠিকঠাক আছে।
কালার প্রোডাকশন:
  • ছবিগুলো খুব ন্যাচারাল নয়
  • কিছুটা বেশি স্যাচুরেটেড
  • সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য রেডি ছবি বলা যায়
লাইট ব্যালেন্স: লাইট ব্যালেন্স ঠিকঠাক। ডায়নামিক রেঞ্জ মোটামুটি ভালো রেজাল্ট করেছে।
লো-লাইট পারফরমেন্স:
  • ডিটেইলস এবং শার্পনেস কিছুটা কমে যায়
  • কিছুটা নয়েজ দেখা যায়
পোর্ট্রেট মোড:
  • মোটামুটি ভালো
  • সাবজেক্ট সেপারেশন বেশিরভাগ সময় ঠিক থাকে
  • মাঝে মাঝে কিছুটা সমস্যা করে
ভিডিও রেকর্ডিং:
  • সর্বোচ্চ: 1080p @ 30fps
  • ফুটেজ কোয়ালিটি এভারেজ
  • 1080p-তে অন্তত 60fps বা 2K @ 30fps থাকা উচিত ছিল
সেলফি ক্যামেরা:
8MP সেলফি ক্যামেরা সেলফি লাভারদের পছন্দ হবে:
  • ফেস কিছুটা স্মুথ করে দেয়
  • অটো HDR আছে
  • মোটামুটি ভালো রেজাল্ট

ব্যাটারি ও চার্জিং

Vivo Y31d-এর সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এর বিশাল ব্যাটারি।
ব্যাটারি স্পেসিফিকেশন:
  • ক্যাপাসিটি: 7200mAh
  • টাইপ: Lithium-Ion (BlueVolt Battery)
  • চার্জিং: 44W Flash Charge (বক্সে অ্যাডাপ্টার সহ)
ব্যাটারি ব্যাকআপ:
হেভি ইউজেজ:
  • ১ দিনের বেশি ব্যাকআপ
নরমাল ইউজেজ:
  • ২-৩ দিন অনায়াসে
স্ক্রিন-অন টাইম:
  • ৮-৯ ঘণ্টা
6nm চিপসেট এবং 7200mAh ব্যাটারির কম্বিনেশন দুর্দান্ত ব্যাটারি ব্যাকআপ দিচ্ছে। যাদের ব্যাটারি ব্যাকআপ প্রায়োরিটি, তাদের জন্য এই ফোন পারফেক্ট।
ব্যাটারি লাইফ: 1600 চার্জ সাইকেল সাপোর্ট করে, যার মানে প্রায় ৬ বছর ফ্লুয়েন্টলি ব্যবহার করা যাবে। ব্যাটারি হেলথ খুব একটা নষ্ট হবে না।
চার্জিং: 44W ফ্ল্যাশ চার্জার বক্সে পাওয়া যাচ্ছে, যা বেশ দ্রুত চার্জিং দেয়।

অন্যান্য ফিচার

অডিও:
  • ডুয়াল স্টেরিও স্পিকার
  • স্পিকার বেশ লাউড
  • ভলিউম ৪০০% পর্যন্ত নেওয়া যায়
  • ৭০-৭৫% ভলিউমে মোটামুটি ভালো
  • খুব বেশি ভলিউমে কোয়ালিটি কমে যায়
  • বেস কিছুটা কম
সিম ও কানেক্টিভিটি:
  • ডুয়াল ন্যানো সিম (৪জি)
  • কোনো microSD কার্ড স্লট নেই
  • নেটওয়ার্ক রিসেপশন খুবই স্ট্রং
  • ডাউনলোড/আপলোড স্পিড ভালো
সিকিউরিটি:
  • ফিজিক্যাল ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার (পাওয়ার বাটনে)
  • যথেষ্ট ফাস্ট এবং অ্যাকুরেট
অন্যান্য:
  • 3.5mm হেডফোন জ্যাক নেই
  • সেকেন্ডারি নয়েজ ক্যান্সেলেশন মাইক্রোফোন (উপরে)
  • USB Type-C পোর্ট

কারা কিনবেন?

Vivo Y31d কিনবেন যদি:
✓ স্টাইলিশ এবং সুন্দর লুকের ফোন চান
✓ বিশাল ব্যাটারি এবং দীর্ঘ ব্যাকআপ প্রয়োজন
✓ রিলায়েবল চিপসেট চান
✓ বাইক চালান বা আউটডোর অ্যাক্টিভিটি করেন
✓ বৃষ্টিতে বা পানিতে ফোন ভেজার ঝুঁকি থাকে
✓ হাত থেকে পড়ে যাওয়ার ভয় থাকে
✓ ৬ বছর পর্যন্ত ফোন ব্যবহার করতে চান
✓ ব্যাটারি লাইফ আপনার প্রায়োরিটি
Vivo Y31d কিনবেন না যদি:
✗ হেভি গেমার (PUBG, Genshin Impact হাই সেটিংসে)
✗ হেভি মাল্টিটাস্কিং করেন
✗ FHD+ ডিসপ্লে চান
✗ 3.5mm হেডফোন জ্যাক প্রয়োজন
✗ microSD কার্ড এক্সপ্যানশন চান
✗ হালকা এবং পাতলা ফোন পছন্দ করেন

উপসংহার

Vivo Y31d একটি সলিড ভ্যালু ফর মানি স্মার্টফোন, বিশেষ করে যাদের ব্যাটারি লাইফ এবং ডিউরেবিলিটি প্রায়োরিটি। 7200mAh ব্যাটারি, IP68/IP69+ ওয়াটারপ্রুফ রেটিং, 1600 চার্জ সাইকেল এবং Snapdragon 6s Gen 2 চিপসেট ২৫-৩২ হাজার টাকার রেঞ্জে বেশ ইমপ্রেসিভ।
ডিসপ্লে রেজোলিউশন HD+ হওয়া কিছুটা হতাশাজনক, তবে 120Hz রিফ্রেশ রেট এবং ভালো কালার রিপ্রোডাকশন এটি কিছুটা কম্পেনসেট করে। ক্যামেরা পারফরমেন্স মোটামুটি, তবে ভিডিও রেকর্ডিংয়ে আরও উন্নতি প্রয়োজন ছিল।
সামগ্রিকভাবে, Vivo Y31d তাদের জন্য পারফেক্ট যারা একটি নির্ভরযোগ্য, দীর্ঘস্থায়ী এবং ডিউরেবল ফোন খুঁজছেন। হেভি গেমারদের জন্য এটি উপযুক্ত নয়, তবে সাধারণ ব্যবহার এবং হালকা গেমিংয়ের জন্য বেশ ভালো।
চূড়ান্ত রেটিং: ৭.৫/১০



FAQ (প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন)

প্রশ্ন: Vivo Y31d-এর দাম কত?
উত্তর: ৬/১২৮GB - ২৪,৯৯৯ টাকা, ৮/১২৮GB - ২৬,৯৯ টাকা, ৮/২৫৬GB - ৩১,৯৯৯ টাকা
প্রশ্ন: Vivo Y31d-এ ব্যাটারি কত?
উত্তর: 7200mAh Lithium-Ion ব্যাটারি
প্রশ্ন: Vivo Y31d ওয়াটারপ্রুফ কি?
উত্তর: হ্যাঁ, IP68 এবং IP69+ ওয়াটারপ্রুফ রেটিং
প্রশ্ন: Vivo Y31d-এ কোন প্রসেসর?
উত্তর: Qualcomm Snapdragon 6s Gen 2 (6nm)
প্রশ্ন: Vivo Y31d ক্যামেরা কেমন?
উত্তর: 50MP + 2MP রিয়ার, 8MP ফ্রন্ট ক্যামেরা
Previous Post
"/>